ADDA ও ট্রাফিকের কড়াকড়ির মাঝেই রমরমিয়ে বেআইনি পার্কিং!
প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে চলছে অবৈধ টাকা তোলার খেলা?
দুর্গাপুরের ব্যস্ততম সিটি সেন্টার এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে একাধিক বিধিনিষেধ থাকলেও, প্রকাশ্যেই রমরমিয়ে চলছে বেআইনি পার্কিং ব্যবসা। অভিযোগ উঠেছে, স্মার্ট বাজারের সামনে এক বেসরকারি সংস্থার নাম ব্যবহার করে গাড়িচালকদের কাছ থেকে দেদারসে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
তবে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো—পার্কিংয়ের বৈধ অনুমোদন বা প্রশাসনিক নথি চাইলে কালেকশন এজেন্টরা কিছুই দেখাতে পারেননি। কালেকশন এজেন্ট পদ্মলোচন ঘোষ দাবি করেন, “বেঙ্গল সৃষ্টির অনুমতি আছে”, কিন্তু সেই দাবির পক্ষে কোনও লিখিত প্রমাণ তিনি দেখাতে ব্যর্থ হন। সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নেরও কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—
👉 প্রশাসনের নজরের সামনেই কীভাবে দিনের পর দিন অবৈধভাবে টাকা তোলা হচ্ছে?
👉 ট্রাফিক পুলিশ ও ADDA–র কড়াকড়ির মধ্যেও কার আশীর্বাদে চলছে এই বেআইনি কারবার?
উল্লেখযোগ্যভাবে, ঠিক রাস্তার উল্টো দিকেই রয়েছে মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠী পরিচালিত একটি সম্পূর্ণ বৈধ পার্কিং ব্যবস্থা। সেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ফি নেওয়া হয় এবং প্রশাসনিক অনুমোদনও রয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন বেআইনি পার্কিংয়ের দৌরাত্ম্য—তা নিয়েই ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে ADDA–র চেয়ারম্যান মাননীয় কবি দত্ত মহাশয় আমাদের জানান,
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে এবিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📌 এখন প্রশ্ন একটাই—
দুর্গাপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবৈধ পার্কিং কার স্বার্থে?
আর কবে থামবে এই বেআইনি টাকা তোলার খেলা?
উঠছে প্রশ্ন।
নিজস্ব প্রতিনিধির রিপোর্ট।
নিউজ প্রাইম বাংলা।








